Thursday, December 26, 2019

dushtu-budhdhi


kal bohubochor por tar mukhe shunlam ekta onek purano chelebelar shobdo, 'dushtu-budhdhi'. shei achar churi, lukiye lukiye class cholakaleen khatar pichone chobi aanka, tarpore ekdom 0 volume kore raat 12tai Bobby cinema dekha, shob i dushtubudhdhi chilo. Kal shunlam chocolate e mora bhalobashar dushtu-budhdhi. Konta dushtu, ar konta i ba budhdhi? Chocolate, na bhalobasha, naki ekobionsho shotoker manusher  jantrik madhyome onek kichui na byakto korte parar britha aakshep? 

জানো,
"একটা দেওয়াল সেদিন কথা বলেছিল?
বিপ্লবের কথা, শ্রমিকের ঘামের কথা
দেওয়াল লিখনের চোখাচোখির ফাঁকে
রয়ে গেছিল কিছু না-ইন্কালাবি ইশারা...
অজান্তে বদলে দিয়েছিল
আমাদের জীবনের চরিত মালা |"

আমি লুকিয়ে দেখেচি ছৌ নাচ, 
জমকালো পোশাক, রাংতায় মোড়া 
মানুষরূপী কত ভগবান, সরীসৃপ, মানুষখেকো, হাতি ঘোড়া...
ডাগর চোখ, মুখোশ পরা

গ্রামীন ঘুম ভাঙিয়ে আজ চলছে পালা
ওপারে শালবুনি কাঁপিয়ে 
গজরাজের ডঙ্কা 
আর নাগ দম্পতির সর্পিল প্রেম

মত্ত নিশির শব্দনেশায় 
ধোঁয়াশা - নিষ্পাপ, 
তোমার-আমার 
স্পন্দনের নিশব্দ সংলাপ....

পালাগানের তালে-বেতালে 
অমৃতাক্ষর ছন্দে II

সেই তো প্রথম, শেষ দেখা
সেই তো নিবিড়তার নিভৃতে তাজমহল গড়া

সেই তো অনাহুতের আবেশে 
রূপকথা বেশে 
 তুলসি তলার কম্পমান প্রদীপ্ শিখায় 
জীবন জ্যোত্স্না খুঁজে পাওয়া....

এই তো সেদিন, নয়নতারার মিলাপ
তবুও সেদিন, হলো ...মন বিলাপ

 ...সেই তো প্রথম, শেষ দেখা
সাঁঝবাতির রূপকথায়, 
ঝিকমিক করে  মনোমেঘমালায়  
...শুধু মনে পড়া ....
Raj Shankar, onek shopner ei khelaghor. Amader bornomalar shongshar.
Ektu kandune, ektu aabdari holei ba ki...amaderi to...Dhore rekho. Shonkolon, pustika, hochche hobe.. Shetar jonnoi likhchi tai to...Tai bolbe tumi..hoyto tai...Hoyto kobitarchole bhalobashar obhinoy, naki bahlobashar abhipraye ...kobita? shetar uttor peye gele journey ta hoyto onek gulo FAQ charai hoye jeto....jemon protidiner proshno...bhalo basho to? aaj o? kalkeo? porshu? kemon kore? ....ki khele? ki porle? kemon kore sheet atkale....koto ki...
kintu oi je bole... ogulo na thakle outcome determined shomporko hoto sheta...shamanyo ...tokhon pagla rachonatmokta achomka dhakka kheto ki lomba lampost e... amar moto ....aaj? abar?  

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

aaj abar brishti
thik shediner moto
jedin prothom chiti porte porte 
aakosmath tumi shamne dariye gechile
Ki bolbo? tumi jene gecho tukro tukro khobor, purano premer mora jer...
Amar tiffin box er paorutir makhon tomai dekhiyechi
Amar lal shareer arale, purano shelai chera kalo shayata cheshta koreo lukote perechi ki?  
Pari ni. onek kichui pari ni...babake 'What is green' bojhate pari ni
Tobu ghotona oghotonar phANke aajo mon diye, shobdo geNthe bhalobashte pari...pari ki?

Aaj, Megh, brishti jhor...
Neel chatai dhore na...
Abar bus stand e tomar sathe dekha
Riju, stheer, brishtite bheja
Dariye acho
Opekhkahi? Na obhyeshe? naki brishtike bhalobeshe?

Ami parini aaj kandte tomar kache...
Ostheer abege doure eshechilam
Lojja pai ni
Onumoti nei ni
Tomar chokhe chokh rakhi ni
Tomai japte dhorechilam 
Kumro, bag ...lonkakando, bikheepto
Porichoypotro ...sheta ki???

Chitkar kore bolechilam

Let's set fire to the rain ....."


মনে পড়া

সেদিন তোমার জ্বর। ইস্কুল যাও নি। আমি ইস্কুল থেকে ফিরে এই ধর দুপুর ৩টা নাগাদ একটা B-Zone এর মিনিবাস নিয়ে তোমাদের Newton Avenue এর কোয়ার্টারে হাজির। পেছনের দরজাটা খোলাই ছিল, হয়ত কাজের মাসি আসবে বলে। তুমি ঘুমোচ্ছিলে। জ্বরে মুখটা প্রায় গোলাপী। ঠোঁট এখনকার মতই একটু অসহায়, তবু যৌবনের জৌলুস ঝিলিক মারছে এক একবার। আমি ইস্কুলে বাঁধা বেণীদুটি খুলিনি, আর ফ্রকটা মায়ের বানানো। পেঁয়াজি রঙের, তাতে ছোট বেগুনি বুটি। সেদিন খুব লোভ হয়েছিল তোমায় জাগিয়ে দিই। কিন্তু সংকোচে তা করা হয় নি। তাই একখানা চিঠি লিখে তোমার ইস্কুল ব্যাগে রেখে এসেছিলাম, পেয়েছিলে? 

প্রেমের এক গভীর আস্বাদ সেদিন ষোড়শী স্বপ্নগুলোকে রাঙিয়ে তুলেছিল, 
আষাঢ়ের মেঘে বুঝি যৌবনের বান উঠেছিল 
- শুনেছি সবারই এমন হয়: উন্মত্ত মন, চূর্ণ কুন্তল... আর রন্ধ্রে রন্ধ্রে এক অজানা স্পন্দন। 
কল্পনায় সেদিন হাতড়ে বেরিয়েছিলাম এক স্বপ্নিল অবয়বের।
"তোকে যে বড় ভালোবাসি".. সেদিনও বলেছিলে। ঘুমিয়ে, ঘুমিয়ে, অস্ফুটে। সেই আনন্দেই ফ্রক দুলিয়ে, পা টিপে টিপে পালিয়ে এসেছিলাম সেদিন।
তারপরে ICSE র রেজাল্টের সময় হাল্কা দেখা। বুলেট পয়েন্টে কথা সেদিন। "কত পয়েন্ট?" ব্যাস। চাউনি, পলক, শরম, সবই বুঝেও না বোঝার ভান।
তারপরে বিধান.. হঠাৎ বড় হয়ে যাবার পালা। ইস্কুল মানে আর ইউনিফর্ম নয়, রঙ্গীন সালোয়ার। BNG বলেছেন ওড়না নিতে, নিতাম। তোমাদেরও সব হাল্কা গোঁফ দাঁড়ির রেখা। আর JEE IIT র deadline মার্কা মরণ দৌড়। আবার দেখলাম একদিন, বিধান থেকে ফিরতি পথে, তোমরা জটলা বেঁধে গেটের সামনে। তাকিয়েছিলে বোধহয় একবার, কিন্তু আমরা তখন মাথা নিচু করে পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার দল। তখন 'তুমি' শুনলে কান রাঙা হয়। তখন বিধানের বাস স্ট্যান্ডে সবার সাথে দাঁড়িয়ে থেকেও কত প্রণয় বিনিময় হয়।
আর তখন চিত্রালয়ার মাঠে, বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে হঠাৎ মনে পড়ে: এই, বাড়ি যাবে না। হুঁ। 
অনেক কিছুই হয়ত বলতে/ ব্যক্ত করতে পারি না তোমার মত করে.. আজ মেঘলা আকাশ ছেঁড়া ছেঁড়া বরফ, শিরশির করে ঠাণ্ডা লাগছে; আজ আবার একটা উষ্ণ মনের কথা মনে পড়লো তাই।
ধরা ধরা গলায় ঘুম চোখে বলবে আমি তোকে খুব কষ্ট দিই, না রে মনাই? পেঁয়াজি ফ্রকটার থেকে একটু ঝাঁঝ আসে, আজ অনেক কাল পরেও। টপ টপ করে ভালোবাসা ঝরে পড়ে, আর ভিজিয়ে দেয় তোমাকে-আমাকে-আমাদের।

Thursday, December 19, 2019

বহুরূপতা

কিছু শরীর মনের হয়ে কথা বলে যায়,
কিছু মন শরীরের আবেগ ঢাকতে চুপ করে থাকে,

কিছু বন্ধুত্ব ছেঁড়া মেঘের মত হঠাৎ উড়ে আসে;
আর কিছু হঠাৎ পরিচয় ভোরের চড়াইয়ের মত জানালার গরাদে চুপ করে বসে থাকে;

কিছু দেশ ছুটে, দৌড়ে, চাকরি করে এগিয়ে যায়,
কিছু মানুষ অবহেলার দেশে জন্মেছি ভেবে ভগবানে মন দেয়

আর চোরকাঁটা টা মাটি চায় না, বাতাস চায় না, ঘাসবনেও মন নেই তার,
কলেজের শাড়ীর রঙীন পাড়টাকে সে আঁকড়ে ধরে ঘুমায়, আর একবার...

Monday, December 2, 2019

সে

যে আঁকে, সেই লেখে।
সে ক্লান্তিতে আঁকে, হতাশায় লেখে, হাহাকারে সুর তোলে।
সে কাটা-কুটির মত সহজ খেলায় হতভম্ব হয়ে যায়।
সে জৈবিক জিজীবিষায় প্রথমে উন্মাদ হয়, তারপর নিজের মরণে নিজেকে সান্ত্বনা দেয়।
সে আপন, তাই সে গোপন।
সে আঁকে, আর লেখে।

‘হা-হা’ কার?


কিছু পুরুষ বালক থেকে লোক হয়ে যায়,
মেয়েগুলো ছেলেদের মত বড় হতে চায়,
আর হিজড়াগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে,
- কেউ কাজ পায়, কেউ আজও একটা অস্বস্তি-ভরা গান গেয়ে ভিক্ষা চায়।

একগাদা জেঠতুতো, পিসতুতো, মামাতো, খুড়তুতোর মধ্যে কিছু ধর্ষণের রক্ত বিরক্তিতে শুকিয়ে যায়।

ফাঁসি হোক আজ এই কিম্ভূতকিমাকার পৌরুষের,
মরে বেঁচে যাক কিছু নারীত্ত্ব,
আর রক্তজীব গুলো ছড়িয়ে পড়ুক দূষিত নীল আকাশে।
পতিতা পৃথিবী এবার হাহাকার করুক কিছু আসলের, কিছু ফসলের।

দড়িরখেলা

দড়িরখেলা



মৃত্যুর দুলুনিটা ফুলশয্যার মতই সুবাসিত
প্রাণহীন ফুলে গাঁথা...একটা একটা মুহূর্ত
তবু, সেই দুলুনির অপেক্ষা থাকে, বুঝি করতে হয়

নারী পুরুষের ভাগাভাগি কতটা আসল?
কতটা  ফসল?
- আরও কত মাপকাঠি, বাসর ঘরের কাটাকুটি,
হিল্লোল. কল্লোল - মাতোয়ারা ডামাডোল

... অসংখ্য নিঃশ্বাসে প্রশাস্বের মধ্যে
কবর পড়া
অবাঞ্চিত প্রশ্নের সাথে সেনাপতিহীন, সমর

চলতে থাকে

টানাপোড়ণের দড়ি খেলা
এপার থেকে ওপারে -
অপার দড়িরখেলা

ট্রেপিজের চূড়ান্ত দুলুনির হিসেব....
বন্ধ হওয়া সার্কাসএর তাঁবুতে
পালার শেষ খেলা, হার জিত হীন
দড়িরখেলা

...চলবে...চলতে থাকে ....