সেদিন তোমার জ্বর। ইস্কুল যাও নি। আমি ইস্কুল থেকে ফিরে এই ধর দুপুর ৩টা নাগাদ একটা B-Zone এর মিনিবাস নিয়ে তোমাদের Newton Avenue এর কোয়ার্টারে হাজির। পেছনের দরজাটা খোলাই ছিল, হয়ত কাজের মাসি আসবে বলে। তুমি ঘুমোচ্ছিলে। জ্বরে মুখটা প্রায় গোলাপী। ঠোঁট এখনকার মতই একটু অসহায়, তবু যৌবনের জৌলুস ঝিলিক মারছে এক একবার। আমি ইস্কুলে বাঁধা বেণীদুটি খুলিনি, আর ফ্রকটা মায়ের বানানো। পেঁয়াজি রঙের, তাতে ছোট বেগুনি বুটি। সেদিন খুব লোভ হয়েছিল তোমায় জাগিয়ে দিই। কিন্তু সংকোচে তা করা হয় নি। তাই একখানা চিঠি লিখে তোমার ইস্কুল ব্যাগে রেখে এসেছিলাম, পেয়েছিলে?
প্রেমের এক গভীর আস্বাদ সেদিন ষোড়শী স্বপ্নগুলোকে রাঙিয়ে তুলেছিল,
আষাঢ়ের মেঘে বুঝি যৌবনের বান উঠেছিল
- শুনেছি সবারই এমন হয়: উন্মত্ত মন, চূর্ণ কুন্তল... আর রন্ধ্রে রন্ধ্রে এক অজানা স্পন্দন।
কল্পনায় সেদিন হাতড়ে বেরিয়েছিলাম এক স্বপ্নিল অবয়বের।
অনেক কিছুই হয়ত বলতে/ ব্যক্ত করতে পারি না তোমার মত করে.. আজ মেঘলা আকাশ ছেঁড়া ছেঁড়া বরফ, শিরশির করে ঠাণ্ডা লাগছে; আজ আবার একটা উষ্ণ মনের কথা মনে পড়লো তাই।
No comments:
Post a Comment