Friday, April 24, 2020

Bedouin


You are the tree of femininity that grows in the dark
You need no sun or water
You are the sea princess who loves all beings
Though remain unloved by some
You are the Bedouin woman
who traveled far and wide
You are the moon on my horizon
Just stay that way.

Sunday, February 23, 2020

যেদিন বুকের আগলে সাদা কালো চুলের ভাঁজে
ভাঁজে রাখবে আমার কপোল, যেদিন চিবুক
ধরে আর একটা জীবন কে আস্বস্ত করবে;
যেদিন হালকা একটা গালের টোলে ছাপা থাকবে
এক টুকরো খুনসুটিতে ভালোবাসার টুসু গান,
সেদিন কাঁদব, এক চোখ থেকে বইবে দেখা না হওয়ার
আফসোস অভিমান; অন্য চোখের অশ্রুধারায়
শুধু বইবে আসক্তি অনুভবের সুখ।
সেই আধবোজা হালকা রাঙা চোখ দেখেও সুখ, চেখেও সুখ।
ঠোঁট দুটো একটু শুকনো, যেন দুদিন আগের ফোঁটা ফুল।
কল্পনার আসক্তিতে তখনও চাইছে শরীর,
একটা অসহায় জেদ কোথাও; তবু ধরা পড়ে যাই।
তখন স্ত্রী থেকে হতে হয় বান্ধবীর কায়া, বা মাতৃরুপিনী।
মাথায় হাত বুলিয়ে চাঁদের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে পাড়াতে হয় ঘুম।
এমনই চলে প্রতি রাতের কামনার বিলাপ
বালিশে, নালিশে আর কুর্নিশে।


সেই আধবোজা হালকা রাঙা চোখ দেখেও সুখ, চেখেও সুখ।
ঠোঁট দুটো একটু শুকনো, যেন দুদিন আগের ফোটা ফুল।
কল্পনার আসক্তিতে তখনও চাইছে শরীর,
একটা অসহায় জেদ কোথাও; তবু ধরা পড়ে যায়।
তখন স্ত্রী থেকে হতে হয় বান্ধবীর কায়া, বা মাতৃরুপিনী।
মাথায় হাত বুলিয়ে চাঁদের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে পাড়াতে হয় ঘুম।
এমনই চলে প্রতি রাতের কামনার বিলাপ
বালিশে, নালিশে আর কুর্নিশে।

Friday, February 21, 2020

kamona-bilap

shei aadhbojha halka ranga chokh dekheo shukh, chekheo shukh. thoth duto ektu shukno, jeno dudin ager phota phul. kolponar ashokti te tokhono chaiche shoreer ta...ekta oshohay jed, kothao.....dhora pore jai.                                                    

Tai tokhon stree theke hote hoy bandhobir kaya, ba matrirupini. mathay hath buliye  chander pahare niye giye ghum parate hoy          


emoni chole proti ratrer kamonar bilap - baleeshe-naleeshe- kurnishe. 

Saturday, February 1, 2020

সারাদিন

আর একটা ভাল নাম মাত্র,
যে নামে মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া মনুষত্বের গন্ধ আছে,
যে চোখের নরম চামড়ার পেছনে আছে একটা দীপ্তমান আগুন,
যে নাম শুধু শব্দে আর মানে ভরা নয়,
টইটুম্বুর কিছু মানবিক অভিমানে আর জৈবিক টানে |
সে নাম বিদেশে একটা মাতৃভাষার রুপায়ন হয়ত |
সে নাম ভরে থাক আজ শীতের আকাশে,
কাল বসন্তের পাতায়,
আর পরশু হয়ত আমার ডাল সাঁতলানোর ফোরণে |
সে নাম হোক আমার গোপন বীজমন্ত্র,
আমার সারাদিনের অলসভাবে পাতা ওলটানো গ্রন্থ|

সারাদিন
এক একদিন একটা 'সারাদিন' -এর আশা থাকে |
রোজদিন মনে হয়, 
যদি 'সারাদিন' সারা দিন-রাত ধরে থাকে|
বালিশে, মাথায়, চুলে. ঠোঁটে, ঘরে, ঘামে, ঠান্ডায় কুয়াশায়,
'সারাদিন' যদি মেঘলা বেলা হয়, অথবা এক বিদ্যুত ভরা রাত,
'সারাদিন' যদি হয় আলুসেদ্ধ ভাত খেয়েও 
আধবোজা চোখে মত্ত আবেগে অস্ফুটে বলা,
'তোমাকে চাই', 'তোমাকে চাই', 'আর একটু', 'আরও অনেকটা'?
আরেকটা 'সারাদিনের' অপেক্ষায় ভরা প্রতিদিন
টুকরো, টুকরো করে আরেকটা 'সারাদিন' এর অপেক্ষা |


কেন ? 

কেন বলত রাক্ষসটার নাম খরগোশ বাবু হয়?
আর সবুজ পাতা খেয়েও তবু, চোখদুটো চকচকে লাল হয়?
আবার দেখ 'ধন্যবাদ' এ কেমন ধন্য হওয়াই বাদ?
আর সংসারের সবটাতেই যেন সং সাজার কাজ?
কেন বলত অনুরাগের এত এত রাগ?
আর অভিলাষের 'ষ'- এর হঠাৎ পেটে কেন ভাগ?
কেন বলত তো মনের মানুষ এতটা ভুল বোঝে?
আবার অনেক হিসেব মেলার পরেও, নতুন অঙ্ক কষে?