যেদিন বুকের আগলে সাদা কালো চুলের ভাঁজে
ভাঁজে রাখবে আমার কপোল, যেদিন চিবুক
ধরে আর একটা জীবন কে আস্বস্ত করবে;
যেদিন হালকা একটা গালের টোলে ছাপা থাকবে
এক টুকরো খুনসুটিতে ভালোবাসার টুসু গান,
সেদিন কাঁদব, এক চোখ থেকে বইবে দেখা না হওয়ার
আফসোস অভিমান; অন্য চোখের অশ্রুধারায়
শুধু বইবে আসক্তি অনুভবের সুখ।
সেই আধবোজা হালকা রাঙা চোখ দেখেও সুখ, চেখেও সুখ।
ঠোঁট দুটো একটু শুকনো, যেন দুদিন আগের ফোঁটা ফুল।
কল্পনার আসক্তিতে তখনও চাইছে শরীর,
একটা অসহায় জেদ কোথাও; তবু ধরা পড়ে যাই।
তখন স্ত্রী থেকে হতে হয় বান্ধবীর কায়া, বা মাতৃরুপিনী।
মাথায় হাত বুলিয়ে চাঁদের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে পাড়াতে হয় ঘুম।
এমনই চলে প্রতি রাতের কামনার বিলাপ
বালিশে, নালিশে আর কুর্নিশে।
সেই আধবোজা হালকা রাঙা চোখ দেখেও সুখ, চেখেও সুখ।
ঠোঁট দুটো একটু শুকনো, যেন দুদিন আগের ফোটা ফুল।
কল্পনার আসক্তিতে তখনও চাইছে শরীর,
একটা অসহায় জেদ কোথাও; তবু ধরা পড়ে যায়।
তখন স্ত্রী থেকে হতে হয় বান্ধবীর কায়া, বা মাতৃরুপিনী।
মাথায় হাত বুলিয়ে চাঁদের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে পাড়াতে হয় ঘুম।
এমনই চলে প্রতি রাতের কামনার বিলাপ
বালিশে, নালিশে আর কুর্নিশে।
ভাঁজে রাখবে আমার কপোল, যেদিন চিবুক
ধরে আর একটা জীবন কে আস্বস্ত করবে;
যেদিন হালকা একটা গালের টোলে ছাপা থাকবে
এক টুকরো খুনসুটিতে ভালোবাসার টুসু গান,
সেদিন কাঁদব, এক চোখ থেকে বইবে দেখা না হওয়ার
আফসোস অভিমান; অন্য চোখের অশ্রুধারায়
শুধু বইবে আসক্তি অনুভবের সুখ।
সেই আধবোজা হালকা রাঙা চোখ দেখেও সুখ, চেখেও সুখ।
ঠোঁট দুটো একটু শুকনো, যেন দুদিন আগের ফোঁটা ফুল।
কল্পনার আসক্তিতে তখনও চাইছে শরীর,
একটা অসহায় জেদ কোথাও; তবু ধরা পড়ে যাই।
তখন স্ত্রী থেকে হতে হয় বান্ধবীর কায়া, বা মাতৃরুপিনী।
মাথায় হাত বুলিয়ে চাঁদের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে পাড়াতে হয় ঘুম।
এমনই চলে প্রতি রাতের কামনার বিলাপ
বালিশে, নালিশে আর কুর্নিশে।
সেই আধবোজা হালকা রাঙা চোখ দেখেও সুখ, চেখেও সুখ।
ঠোঁট দুটো একটু শুকনো, যেন দুদিন আগের ফোটা ফুল।
কল্পনার আসক্তিতে তখনও চাইছে শরীর,
একটা অসহায় জেদ কোথাও; তবু ধরা পড়ে যায়।
তখন স্ত্রী থেকে হতে হয় বান্ধবীর কায়া, বা মাতৃরুপিনী।
মাথায় হাত বুলিয়ে চাঁদের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে পাড়াতে হয় ঘুম।
এমনই চলে প্রতি রাতের কামনার বিলাপ
বালিশে, নালিশে আর কুর্নিশে।